আমার সালাম ও শুভেচ্ছা নিবেন। আমি আশা করি আপনারা সকলে এই পোষ্টটি পড়লে নতুন কিছু জানতে পারবেন। তাই আজ আমি আপনাদের হোয়াটসঅ্যাপের সম্পর্কে হাজ...
আমার সালাম ও শুভেচ্ছা নিবেন। আমি আশা করি আপনারা সকলে এই পোষ্টটি পড়লে নতুন কিছু জানতে পারবেন। তাই আজ আমি আপনাদের হোয়াটসঅ্যাপের সম্পর্কে হাজির হয়েছে তাহলে আর দেরি না করে এবার কাজের কথা আসি। তাহলে শুরু করা যাক ইনস্টাগ্রামের পর এবার হোয়াটসঅ্যাপের দিকে হাত বাড়াল ফেসবুক। মোবাইল
মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে দ্রুত জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকা হোয়াটসঅ্যাপকে ১৯০
কোটি মার্কিন ডলারে কিনে নিতে যাচ্ছে ফেসবুক।
তরুণ প্রজন্মের কাছে ফেসবুকের ও মোবাইল মেসেজিংয়ের জনপ্রিয়তা আরও বাড়াতে নগদ ও শেয়ারের বিনিময়ে হোয়াটসঅ্যাপকে কিনে নিচ্ছে ফেসবুক। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রায় ৪৫ কোটি ব্যবহারকারীর তুমুল জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনটি ফেসবুকের কিনে নেওয়ার ঘোষণা অনেককেই বিস্মিত করেছে। তবে মোবাইলনির্ভর এই যুগে মেসেজিংয়ের বাজার ধরতে ফেসবুক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। টেক্সট বার্তা ও সামাজিক যোগাযোগ একত্রে করে তৈরি মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা মেসেজিংয়ের অযথা খরচ বাঁচাতে পারবেন।
যেসব তরুণ ফেসবুকবিমুখ হয়ে মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনগুলোর দিকে ঝুঁকছিলেন, হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নেওয়ার ফলে এখন তাঁদের আরও কাছে রাখতে পারবে ফেসবুক।
ফেসবুকের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপের চুক্তি অনুযায়ী, হোয়াটসঅ্যাপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী জান কউম ফেসবুক পরিচালনা বোর্ডে যুক্ত হবেন এবং নগদ ও শেয়ারের হিসাবে হোয়াটসঅ্যাপের অর্থ পাবেন।
হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নেওয়ার বিষয়টি ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছে ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ।
জাকারবার্গ বলেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে আমরা হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নিতে সম্মত হয়েছি এবং হোয়াটসঅ্যাপের সব কর্মী ফেসবুকে যোগ দেবেন।’
জাকারবার্গ আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বকে আরও উন্মুক্ত করা ও সহজ যোগাযোগব্যবস্থা তৈরি করা।’
হোয়াটসঅ্যাপ প্রসঙ্গে জাকারবার্গ জানিয়েছেন, এটি সহজ, দ্রুতগতির ও নির্ভরযোগ্য সেবা। প্রতিটি প্রধান মোবাইল প্ল্যাটফরমে ৪৫ কোটি মানুষ এটি ব্যবহার করেন। প্রতিদিন এর ব্যবহার ১০ লাখ করে বাড়ছে। শিগগিরই ১০০ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে হোয়াটসঅ্যাপ। দৈনন্দিন যোগাযোগের প্রয়োজন মেটাতে মানুষ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে।
হোয়াটসঅ্যাপের ভবিষ্যত্ কী? জাকারবার্গ জানান, ফেসবুকের মধ্য থেকে আলাদাভাবে কাজ চালিয়ে যাবে এই মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনটি। ইন্টারনেট অর্গানাইজেশনের মাধ্যমে সহজ ইন্টারনেট ব্যবস্থা গড়ে তোলার যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ সে লক্ষ্য পূরণে কাজে লাগবে।
এর আগে ২০১২ সালে ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম কিনে সাড়া ফেলেছিল। ফেসবুকের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৪৩টি প্রযুক্তি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান কিনেছে ফেসবুক। যার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হচ্ছে গোয়ালা, লাইটবক্স, ব্রাঞ্চ, ইনস্টাগ্রাম প্রভৃতি।
আরও পড়ুন: ফেসবুকের এক দশক
ফেসবুকের পর এবার জাকারবার্গ
তরুণ প্রজন্মের কাছে ফেসবুকের ও মোবাইল মেসেজিংয়ের জনপ্রিয়তা আরও বাড়াতে নগদ ও শেয়ারের বিনিময়ে হোয়াটসঅ্যাপকে কিনে নিচ্ছে ফেসবুক। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রায় ৪৫ কোটি ব্যবহারকারীর তুমুল জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনটি ফেসবুকের কিনে নেওয়ার ঘোষণা অনেককেই বিস্মিত করেছে। তবে মোবাইলনির্ভর এই যুগে মেসেজিংয়ের বাজার ধরতে ফেসবুক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। টেক্সট বার্তা ও সামাজিক যোগাযোগ একত্রে করে তৈরি মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা মেসেজিংয়ের অযথা খরচ বাঁচাতে পারবেন।
যেসব তরুণ ফেসবুকবিমুখ হয়ে মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনগুলোর দিকে ঝুঁকছিলেন, হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নেওয়ার ফলে এখন তাঁদের আরও কাছে রাখতে পারবে ফেসবুক।
ফেসবুকের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপের চুক্তি অনুযায়ী, হোয়াটসঅ্যাপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী জান কউম ফেসবুক পরিচালনা বোর্ডে যুক্ত হবেন এবং নগদ ও শেয়ারের হিসাবে হোয়াটসঅ্যাপের অর্থ পাবেন।
হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নেওয়ার বিষয়টি ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছে ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ।
জাকারবার্গ বলেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে আমরা হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নিতে সম্মত হয়েছি এবং হোয়াটসঅ্যাপের সব কর্মী ফেসবুকে যোগ দেবেন।’
জাকারবার্গ আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বকে আরও উন্মুক্ত করা ও সহজ যোগাযোগব্যবস্থা তৈরি করা।’
হোয়াটসঅ্যাপ প্রসঙ্গে জাকারবার্গ জানিয়েছেন, এটি সহজ, দ্রুতগতির ও নির্ভরযোগ্য সেবা। প্রতিটি প্রধান মোবাইল প্ল্যাটফরমে ৪৫ কোটি মানুষ এটি ব্যবহার করেন। প্রতিদিন এর ব্যবহার ১০ লাখ করে বাড়ছে। শিগগিরই ১০০ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে হোয়াটসঅ্যাপ। দৈনন্দিন যোগাযোগের প্রয়োজন মেটাতে মানুষ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে।
হোয়াটসঅ্যাপের ভবিষ্যত্ কী? জাকারবার্গ জানান, ফেসবুকের মধ্য থেকে আলাদাভাবে কাজ চালিয়ে যাবে এই মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনটি। ইন্টারনেট অর্গানাইজেশনের মাধ্যমে সহজ ইন্টারনেট ব্যবস্থা গড়ে তোলার যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ সে লক্ষ্য পূরণে কাজে লাগবে।
এর আগে ২০১২ সালে ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম কিনে সাড়া ফেলেছিল। ফেসবুকের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৪৩টি প্রযুক্তি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান কিনেছে ফেসবুক। যার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হচ্ছে গোয়ালা, লাইটবক্স, ব্রাঞ্চ, ইনস্টাগ্রাম প্রভৃতি।
আরও পড়ুন: ফেসবুকের এক দশক
ফেসবুকের পর এবার জাকারবার্গ

COMMENTS