আমার সালাম নিবেন। আশা করি আপনারা সকলে ভাল আজ আমি আপনাদের নতুন কিছু শেয়ার করবো। তা হলো ক্যালিফোর্নিয়া, ২৮ ফেব্রুয়ারী- অনেক হল ফেসবুক স্টেট...
আমার সালাম নিবেন। আশা করি আপনারা সকলে ভাল আজ আমি আপনাদের নতুন কিছু শেয়ার করবো। তা হলো ক্যালিফোর্নিয়া, ২৮ ফেব্রুয়ারী- অনেক হল ফেসবুক স্টেটাসে মিথ্যে রটনা৷ এবার একটু সাবধান হোন৷ ফেসবুকে ভুল লিখলেই ধরা পড়বেন আপনি৷ স্টেটাসে যা লিখছেন তা সত্যি কিনা যাচাই করা হবে৷ ভাববেছন কারোর খেয়ে দেয় কাজ নেই এখন ঠিক ভুল ধরতে বসবে? আরে মশাই ইউরোপের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় এ নিয়ে কাজ করছে৷ আর এই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছে ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারের শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়৷ তারা এমন একটি সিস্টেম তৈরির কথা ভাবছেন যা স্বয়ংক্রিয় ভাবে যে কোন তথ্যের সত্যতা ও তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র সম্পর্কে জানতে পারবে৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, এমার্জেন্সী সার্ভিস, মিডিয়া এবং প্রাইভেট সেক্টরে এটা বেশ কাজে দেবে৷ কারণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই সেক্টগুলিতে নানা ধরনের গুজব ছড়াতে দেখা যায়৷
ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সাহায্যে তিন বছরের এই প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফিমে’৷ এর মাধমে টুইটার বা ফেসবুক ব্যবহারকারীদের দেওয়া তথ্য সত্যি কিনা তা যাচাই করা যাবে৷ এই প্রকল্পের কর্তাব্যাক্তিরা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বর্তমানে প্রচুর রটনা ও মিথ্যা তথ্য দেখা যায়৷ এই ধরনের তথ্যগুলির প্রভাব সূদুরপ্রসারি এবং এর ফলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের কোন বিস্ফোরণ ঘটতে পারে৷ কিন্তু এই তথ্য ভান্ডারটি এতটাই বিশাল যে স্টেটাস আপলোডের সঙ্গে সঙ্গেই তা সত্যি কিনা যাচাই করা সম্ভব হবে না৷ এতে বেশখানিকটা সময় লাগবে৷
শেফিল্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এবং এই প্রকল্প গবেষণার পরিচালক ড. ক্যালিনা বনচেভা জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল খবর এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে তা সত্যি না মিথ্যা খুঁটিয়ে বের করা সঙ্গে সঙ্গেই সম্ভব হবে না৷ দেখা যাবে সত্যতা যাচাই করতে করতে অনেকই তা জেনে ফেলেছে৷ তাই প্রকৃত সময়ে এটি করাই তাদের কাজ৷
এই প্রকল্পটি চার ধরণের তথ্য নির্ধারনে কাজ করছে, জল্পনা, বিতর্ক, ভুল তথ্য অবং মিথ্যা তথ্য৷ মূলত তিনটি ফ্যাক্টর ব্যবহার করে কাজটি করছেন গবেষকরা৷ প্রথমত যে তথ্যটি দেওয়া হয়েছে, দ্বিতীয়ত অন্য কেউ এ ধরণের তথ্য দিলে এবং তৃতীয়ত তথ্য ভান্ডার থেকে প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করা গেলে৷ জানা গেছে, সত্যতা বিচারের পর ব্যবহারকারী তার পেজে এটি দেখতে পারবেন৷
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই প্রকল্পে প্রায় ৪৩ লক্ষ ইউরো ব্যয় করছে এবং এটি শেষ হতে অনন্ত ১৮ মাস সময় লাগবে৷ শেফিল্ড ছাড়া বাকি চারটি বিশ্ববিদ্যালয় হল – কিংস কলেজ লন্ডন, ইংল্যান্ডের ওয়ারউইক, জার্মানির সারল্যান্ড এবং ভিয়েনার মোডুল ইউনির্ভাসিটি৷ এর সঙ্গে আরও চারটিকোম্পানি কাজ করছে৷ সেগুলি হল – স্পেনের আটোস, কেনিয়ার আইহাব, বুলগেরিয়ার অনটোটেক্সট এবং সুইস ইনফো৷

COMMENTS