যাকে বিদায় জানানোর হাজারো আয়োজন, তাকে সহজে বিদায় দেওয়া তো যাচ্ছেই না বরং আরও দীর্ঘায়ু হচ্ছে। জনপ্রিয় এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে ত...
যাকে বিদায় জানানোর হাজারো আয়োজন, তাকে সহজে বিদায় দেওয়া তো যাচ্ছেই না
বরং আরও দীর্ঘায়ু হচ্ছে। জনপ্রিয় এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে তাই
ঘটছে। মাইক্রোসফটের শত প্রচেষ্টা স্বত্বেও উইন্ডোজ এক্সপির জনপ্রিয়তা
কিছুতেই কমছে না বরং আরও বাড়ছে। এ বছরের জানুয়ারি মাসের হিসাব ধরলে দেখা
যাবে, উইন্ডোজ এক্সপির জনপ্রিয়তা দশমিক ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। সম্প্রতি
ওয়েব তথ্য বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান নেট অ্যাপ্লিকেশন জানিয়েছে, গত বছরের
ডিসেম্বরের তুলনায় এ বছরের জানুয়ারি শেষে এক্সপির ব্যবহার আরও বেড়েছে।
নেট অ্যাপ্লিকেশন জানিয়েছে, এক সময়ের জনপ্রিয় উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের জনপ্রিয়তা ডিসেম্বর মাসে কমে ২৮ দশমিক ৯৮ শতাংশে নেমে এসেছিল। কিন্তু এ বছরের জানুয়ারি শেষে উইন্ডোজের জনপ্রিয়তা বেড়ে ২৯ দশমিক ২৩ শতাংশ হয়েছে।
উইন্ডোজ এক্সপির পাশাপাশি জনপ্রিয়তা বেড়েছে উইন্ডোজের সাম্প্রতিক সংস্করণ উইন্ডোজ ৮.১ এর। মাইক্রোসফটের তৈরি ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারে উইন্ডোজের এই নবীনতম সংস্করণটি শতকরা হিসাবে ভিসতাকে টপকে গেছে। ওয়েব ট্র্যাকার নেট অ্যাপলিকেশনের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে অনুযায়ী, ডেস্কটপে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত অপারেটিং সিস্টেমগুলোর মধ্যে ভিসতার চেয়ে দশমিক ৬৫ শতাংশ এগিয়ে গেছে উইন্ডোজ ৮.১।
ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমের জনপ্রিয়তার ক্ষেত্রে শীর্ষস্থানে রয়েছে উইন্ডোজ ৭। বর্তমানে উইন্ডোজ ৭এর দখলে রয়েছে বাজারের ৪৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং উইন্ডোজ ৮ এর দখলে বাজারে ছয় দশমিক ৬৩ শতাংশ।
মার্কিন বাজার গবেষকেরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমের জনপ্রিয়তার ক্ষেত্রে প্রায় অর্ধেক উইন্ডোজ ৭ দখল করলেও প্রায় ৩০ শতাংশ এখনও এক্সপির দখলে রয়েছে। যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে যে, এখনই এক্সপি থেকে সরে যেতে চাইছেন না এর ব্যবহারকারীরা।
এদিকে, এক্সপি থেকে ব্যবহারকারীদের সরিয়ে নিতে নানা রকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মাইক্রোসফট। নানা রকম সতর্কবার্তা, উত্সাহ এমনকি ব্যবহারকারীদের উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার থেকে সরিয়ে আনতে বাধ্যও করছে মাইক্রোসফট। অনেকদিন ধরেই উইন্ডোজ এক্সপি থেকে পরবর্তী কোনো সংস্করণের অপারেটিং সিস্টেমে (ওএস) আপগ্রেড করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছে মাইক্রোসফট। এ বছরের ৮ এপ্রিলের পর থেকে উইন্ডোজ এক্সপির জন্য আর কোনো সিকিউরিটি আপডেট ছাড়বে না বলেও ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
যাঁরা এখনও উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করছেন এ বছরের আট এপ্রিলের পর তাঁরা ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার আক্রমণের জন্য উন্মুক্ত হয়ে পড়তে পারেন বলে মাইক্রোসফটের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।
এদিকে, মাইক্রোসফট ঘোষণা দিয়েছে যে, উইন্ডোজ এক্সপির নিরাপত্তার জন্য মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনশিয়াল সফটওয়্যারের কোনো সংস্করণ ৮ তারিখের পর মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে না। যাঁরা এক্সপি ব্যবহার করছেন তাঁদের জন্য মাইক্রোসফটের পরামর্শ হচ্ছে এক্সপি থেকে পিসি অন্য কোনো অপারেটিং সিস্টেমে হালনাগাদ করে নেওয়া বা নতুন কোনো হালনাগাদ ওএসযুক্ত পিসি কিনে ফেলা। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, যারা এক্সপি থেকে আপগ্রেড করে নিতে চান তাদের জন্য মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইটে একটি টিউটোরিয়াল দেওয়া হয়েছে এবং আপগ্রেড করে নেওয়ার প্রয়োজনীয় সব নির্দেশনা সাইট থেকে পাওয়া যাবে। পিসি উইন্ডোজের সর্বশেষ সংস্করণ সমর্থন করবে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখা যাবে। এ বছরের এপ্রিলে উইন্ডোজ এক্সপি-সংক্রান্ত সব ধরনের নিরাপত্তা হালনাগাদ, হটফিক্স এবং ব্যবহার-সংক্রান্ত সব সেবা বন্ধ হওয়ার পর আর কোনো ধরনের কারিগরি সহযোগিতা পাওয়া যাবে না। এক্সপি সহযোগিতা পুরোপুরি বন্ধ হলে কী ঘটবে, এ থেকেই অনেকটাই অনুমান করা যায়। হ্যাকার এবং স্প্যামাররা নতুন ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটি বের করে প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় হামলা চালায়, কর্তৃপক্ষ সেগুলো চিহ্নিত করে সময়ে সময়ে সিস্টেম হালনাগাদের মাধ্যমে আক্রমণ প্রতিহত করে। কিন্তু যখন এক্সপির আর কোনো ধরনের নিরাপত্তাজনিত হালনাগাদ পাওয়া যাবে না, স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তাব্যবস্থা হয়ে উঠবে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, এক সময়ের জনপ্রিয় উইন্ডোজ এক্সপি এ বছর বন্ধ হবে আর বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় উইন্ডোজ ৭ বন্ধ হবে ২০২০ সালের ১৪ জুন। ২০১৫ সালের ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত উইন্ডোজ ৭-এর জন্য ফিচার আপডেট করে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।
আগামী বছর মাইক্রোসফট করপোরেশন বাজারে নিয়ে আসতে পারে পরবর্তী কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৯।
কিন্তু মাইক্রোসফটের এতসব ব্যবস্থা স্বত্বেও উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারীরা কিছুতেই এর মায়া কাটাতে পারছেন না। কিছুটা বাধ্য হয়েই মাইক্রোসফট এখন এক্সপির জন্য ম্যালওয়্যার প্রতিরোধী সেবার মেয়াদ আরও কিছুদিন বাড়ানোর কথা ভাবছে।
নেট অ্যাপ্লিকেশন জানিয়েছে, এক সময়ের জনপ্রিয় উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের জনপ্রিয়তা ডিসেম্বর মাসে কমে ২৮ দশমিক ৯৮ শতাংশে নেমে এসেছিল। কিন্তু এ বছরের জানুয়ারি শেষে উইন্ডোজের জনপ্রিয়তা বেড়ে ২৯ দশমিক ২৩ শতাংশ হয়েছে।
উইন্ডোজ এক্সপির পাশাপাশি জনপ্রিয়তা বেড়েছে উইন্ডোজের সাম্প্রতিক সংস্করণ উইন্ডোজ ৮.১ এর। মাইক্রোসফটের তৈরি ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারে উইন্ডোজের এই নবীনতম সংস্করণটি শতকরা হিসাবে ভিসতাকে টপকে গেছে। ওয়েব ট্র্যাকার নেট অ্যাপলিকেশনের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে অনুযায়ী, ডেস্কটপে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত অপারেটিং সিস্টেমগুলোর মধ্যে ভিসতার চেয়ে দশমিক ৬৫ শতাংশ এগিয়ে গেছে উইন্ডোজ ৮.১।
ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমের জনপ্রিয়তার ক্ষেত্রে শীর্ষস্থানে রয়েছে উইন্ডোজ ৭। বর্তমানে উইন্ডোজ ৭এর দখলে রয়েছে বাজারের ৪৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং উইন্ডোজ ৮ এর দখলে বাজারে ছয় দশমিক ৬৩ শতাংশ।
মার্কিন বাজার গবেষকেরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমের জনপ্রিয়তার ক্ষেত্রে প্রায় অর্ধেক উইন্ডোজ ৭ দখল করলেও প্রায় ৩০ শতাংশ এখনও এক্সপির দখলে রয়েছে। যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে যে, এখনই এক্সপি থেকে সরে যেতে চাইছেন না এর ব্যবহারকারীরা।
এদিকে, এক্সপি থেকে ব্যবহারকারীদের সরিয়ে নিতে নানা রকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মাইক্রোসফট। নানা রকম সতর্কবার্তা, উত্সাহ এমনকি ব্যবহারকারীদের উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার থেকে সরিয়ে আনতে বাধ্যও করছে মাইক্রোসফট। অনেকদিন ধরেই উইন্ডোজ এক্সপি থেকে পরবর্তী কোনো সংস্করণের অপারেটিং সিস্টেমে (ওএস) আপগ্রেড করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছে মাইক্রোসফট। এ বছরের ৮ এপ্রিলের পর থেকে উইন্ডোজ এক্সপির জন্য আর কোনো সিকিউরিটি আপডেট ছাড়বে না বলেও ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
যাঁরা এখনও উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করছেন এ বছরের আট এপ্রিলের পর তাঁরা ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার আক্রমণের জন্য উন্মুক্ত হয়ে পড়তে পারেন বলে মাইক্রোসফটের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।
এদিকে, মাইক্রোসফট ঘোষণা দিয়েছে যে, উইন্ডোজ এক্সপির নিরাপত্তার জন্য মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনশিয়াল সফটওয়্যারের কোনো সংস্করণ ৮ তারিখের পর মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে না। যাঁরা এক্সপি ব্যবহার করছেন তাঁদের জন্য মাইক্রোসফটের পরামর্শ হচ্ছে এক্সপি থেকে পিসি অন্য কোনো অপারেটিং সিস্টেমে হালনাগাদ করে নেওয়া বা নতুন কোনো হালনাগাদ ওএসযুক্ত পিসি কিনে ফেলা। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, যারা এক্সপি থেকে আপগ্রেড করে নিতে চান তাদের জন্য মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইটে একটি টিউটোরিয়াল দেওয়া হয়েছে এবং আপগ্রেড করে নেওয়ার প্রয়োজনীয় সব নির্দেশনা সাইট থেকে পাওয়া যাবে। পিসি উইন্ডোজের সর্বশেষ সংস্করণ সমর্থন করবে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখা যাবে। এ বছরের এপ্রিলে উইন্ডোজ এক্সপি-সংক্রান্ত সব ধরনের নিরাপত্তা হালনাগাদ, হটফিক্স এবং ব্যবহার-সংক্রান্ত সব সেবা বন্ধ হওয়ার পর আর কোনো ধরনের কারিগরি সহযোগিতা পাওয়া যাবে না। এক্সপি সহযোগিতা পুরোপুরি বন্ধ হলে কী ঘটবে, এ থেকেই অনেকটাই অনুমান করা যায়। হ্যাকার এবং স্প্যামাররা নতুন ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটি বের করে প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় হামলা চালায়, কর্তৃপক্ষ সেগুলো চিহ্নিত করে সময়ে সময়ে সিস্টেম হালনাগাদের মাধ্যমে আক্রমণ প্রতিহত করে। কিন্তু যখন এক্সপির আর কোনো ধরনের নিরাপত্তাজনিত হালনাগাদ পাওয়া যাবে না, স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তাব্যবস্থা হয়ে উঠবে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, এক সময়ের জনপ্রিয় উইন্ডোজ এক্সপি এ বছর বন্ধ হবে আর বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় উইন্ডোজ ৭ বন্ধ হবে ২০২০ সালের ১৪ জুন। ২০১৫ সালের ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত উইন্ডোজ ৭-এর জন্য ফিচার আপডেট করে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।
আগামী বছর মাইক্রোসফট করপোরেশন বাজারে নিয়ে আসতে পারে পরবর্তী কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৯।
কিন্তু মাইক্রোসফটের এতসব ব্যবস্থা স্বত্বেও উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারীরা কিছুতেই এর মায়া কাটাতে পারছেন না। কিছুটা বাধ্য হয়েই মাইক্রোসফট এখন এক্সপির জন্য ম্যালওয়্যার প্রতিরোধী সেবার মেয়াদ আরও কিছুদিন বাড়ানোর কথা ভাবছে।


COMMENTS