ফেসবুকের বিরুদ্ধে ভুয়া ‘লাইক’ দেখানোর অভিযোগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অ্যান্থনি ডিটরো। তাঁর দাবি, তিনি যে ওয়েবসাইটে কখনও যাননি সেই ওয়ে...
ফেসবুকের বিরুদ্ধে ভুয়া ‘লাইক’ দেখানোর অভিযোগ করেছেন
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অ্যান্থনি ডিটরো। তাঁর দাবি, তিনি যে ওয়েবসাইটে কখনও
যাননি সেই ওয়েবসাইট নিয়েও তাঁর নামে লাইক দেখিয়েছে ফেসবুক।
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সংবাদমাধ্যম ইউএসএ টুডের ওয়েবসাইটে যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর নাগরিক অ্যান্থনি ডিটরোর প্রোফাইল থেকে ভুয়া লাইক দেখানোর অভিযোগে ফেসবুকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, এটি বিজ্ঞাপন বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হয়েছে।ডিটরো অভিযোগ তুলেছেন, ইউএসএ টুডের ওয়েবসাইটে লাইক বাড়ানোর জন্য তাঁর যে নাম ব্যবহার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া। গত বছরের নভেম্বর মাসে ফেসবুকে স্পন্সরড বিজ্ঞাপন তাকে অবৈধভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।ডিটরোর দাবি, তিনি ফেসবুক ব্যবহার করলেও কখনও ইউএসএ টুডের ওয়েবসাইটে যাননি বা ইউএসএ টুডের লাইক বাটনে ক্লিক করেননি। এমনকি ফেসবুকেও ইউএসএ টুডেকে লাইক দেননি। অথচ, তাঁর নাম ইউএসএ টুডের লাইকে দেখানো হয়েছে। ফেসবুক লাইকের মাধ্যমে তাঁর নাম প্রদর্শনের এই ঘটনাটি তাঁর আরেক ফেসবুক বন্ধুও লক্ষ্য করেছেন।
ফেসবুক যা করেছে তা ক্যালিফোর্নিয়ার সিভিল ও বিজনেস কোডের লঙ্ঘন। নাম অবৈধভাবে ব্যবহার করায় ফেসবুকের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এই নাগরিক।
প্রসঙ্গত, ব্যক্তিগত মেসেজ পড়ার অভিযোগে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি মামলা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটটির বিরুদ্ধে।
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সংবাদমাধ্যম ইউএসএ টুডের ওয়েবসাইটে যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর নাগরিক অ্যান্থনি ডিটরোর প্রোফাইল থেকে ভুয়া লাইক দেখানোর অভিযোগে ফেসবুকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, এটি বিজ্ঞাপন বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হয়েছে।ডিটরো অভিযোগ তুলেছেন, ইউএসএ টুডের ওয়েবসাইটে লাইক বাড়ানোর জন্য তাঁর যে নাম ব্যবহার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া। গত বছরের নভেম্বর মাসে ফেসবুকে স্পন্সরড বিজ্ঞাপন তাকে অবৈধভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।ডিটরোর দাবি, তিনি ফেসবুক ব্যবহার করলেও কখনও ইউএসএ টুডের ওয়েবসাইটে যাননি বা ইউএসএ টুডের লাইক বাটনে ক্লিক করেননি। এমনকি ফেসবুকেও ইউএসএ টুডেকে লাইক দেননি। অথচ, তাঁর নাম ইউএসএ টুডের লাইকে দেখানো হয়েছে। ফেসবুক লাইকের মাধ্যমে তাঁর নাম প্রদর্শনের এই ঘটনাটি তাঁর আরেক ফেসবুক বন্ধুও লক্ষ্য করেছেন।
ফেসবুক যা করেছে তা ক্যালিফোর্নিয়ার সিভিল ও বিজনেস কোডের লঙ্ঘন। নাম অবৈধভাবে ব্যবহার করায় ফেসবুকের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এই নাগরিক।
প্রসঙ্গত, ব্যক্তিগত মেসেজ পড়ার অভিযোগে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি মামলা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটটির বিরুদ্ধে।


COMMENTS